ইমেল হল ইলেকট্রনিক মেল(Electronic Mail) হল ইন্টারনেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসেবা যার সাহায্যে বিশ্বব্যাপি চিঠিপত্র বা ফাইল আদান প্রদান করা যায় ।
ইমেলের মাধ্যমে চিঠিপত্র আদান প্রদানের জন্য ই-মেল আইডির প্রয়োজন । এই আই ডি বিভিন্ন ওয়েব সাইটে বিনামুল্যে পাওয়া যায়। এইরকম কয়েকটি ওয়েব সাইট হল www.google.com, wwww.rediff.com, www.yahoo.com ইত্যাদি ।
একটি ই-মেল আই ডির দুটি অংশ থাকে । অংশ দুটির নাম হোষ্ট নেম/ইউজার নেম এবং ডোমেন নেম । এই অংশদুটি @ চিহ্ন দ্বারা বিভক্ত থাকে ।
যেমন- abhijit123@gmail.com এখনে abhijit123 হল হোষ্ট নেম এবং gmail.com হল ডোমেন নেম ।
হোষ্ট নেমের সব অক্ষর ছোটো হাতের হয় ।
ই-মেলের দুটি সুবিধা লেখ
১। খুব সহজে চিঠিপত্র ছাড়াও বিভিন্ন ফাইল অ্যাটাচ করে পাঠান যায় ।
২। একই বার্তা অনেক জনকে এক সাথে পাঠান যায় ।
৩। পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করে গোপনীয়তা বজায় থাকে ।
ই-মেলের দুটি অসুবিধা লেখ
১। ইন্টারনেট সংযোগ আবশ্যিক।
২। অবাঞিত মেল আটকানর ব্যবস্থা নেই ।
৩।ইমেলের মাধ্যমে ভাইরাস প্রগ্রাম কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারে ।
সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine) কী ?
সার্চ ইঞ্জিন বলতে সাধারণত ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনকে বোঝায় । এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফট ওয়্যার যার সাহায্যে WWW থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য খোজা হয় ।
প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনের নিজস্ব ডেটাবেস থাকে সেখান থেকে ব্যাবহারকারি সার্চ স্ট্রিং এর সাহায্যে নির্দিষ্ট তথ্য খুজে বের করে ।
সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহারকারী কে সরাসরি ফলাফল না দেখিয়ে ঐ তথ্য কোথায় কোথায় আছে তার একাধিক হাইপারলিঙ্ক রেফারেন্সের মাধ্যমে প্রদান করে ।
ইন্টারনেটের যে মিডিয়ার মাধ্যমে বন্ধুবান্ধব, আত্মিয়স্বজন বা অন্য কোনো ব্যাক্তির সঙ্গে যোগাযোগ, তথ্যের আদানপ্রদান ভাব বিনিময় বা অডিও ভিডিও ইত্যাদি আপলোড ডাউনলোড করা হয় তাকে সোশ্যাল নেটওয়াকিং বলে ।
সোশ্যাল নেটওয়াকিং এর সুবিধা
১। যে কোনো ভৌগলিক দুরত্বে সহজে এবং দ্রুত তথ্য আদান প্রদান করা যায় ।
২। সহজে নুতন দ্রব্যের বিঞ্জাপন দেওয়া যায় ।
৩। নিমিসে বিশ্বের গুরুত্ব পূর্ণ খবর ছডিয়ে পড়ে ।
সোশ্যাল নেটওয়াকিং এর অসুবিধা
১। উদ্দেশ্য প্রণোদিত কোন খারাপ খবর ছড়িয়ে সমাজের স্থিতাবস্থা বিঘ্নিত করে ।
২। সোসাল নেটয়াকিং এর প্রতি আসক্তি ব্যাবহারকারিকে অন্যানা কাজে বা দায়িত্বের প্রতি অনাগ্রহী করে তোলে ।
৩। অন্য ব্যাক্তির একাউন্ট হ্যাক করে অপরাধ মুলক কাজ করতে পারে ।
নেটওয়াকিং নিরাপত্তা ব্যাবস্থা কী ?
নেটওয়াকে তথ্য আদান প্রদানের সময় বাইরের কোনো অসৎ ব্যাক্তি তথ্য চুরি করতে, নষ্ট করতে বা নেটওয়ার্কের কোনো ক্ষতি সাধন করতে না পারে তার জন্য নেটওয়ার্কের নিরাপত্তার প্রয়োজন । আর এই নিরাপত্তার জন্য যে ব্যাবস্থা নেওয়া হয় তাকে নেটওয়াকিং নিরাপত্তা ব্যাবস্থা বলে ।
নেটওয়ার্কের নিরাপত্তার জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায়- অ্যান্টিভাইরাস (Anti Virus), ফায়ারওয়াল (Firewall) এবং পাসওয়ার্ড (Password)
কম্পিউটার ভাইরাস বলতে কী বোঝ ? কম্পিউটারে ভাইরাস কীভাবে ছড়ায় ?
কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম । এর পুর নাম Vital Information Resources Under Seize(VIRUS) । ফ্রেড কোহের প্রথম ভাইরাস নাম করন করেন । এটি ব্যাবহারকারীর অজান্তে কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন রকম ক্ষতি করে ।
বহিরাগত ডেটা উৎস যেমন-CD, DVD, Pendrive, External Hard Disk ইত্যাদি থেকে ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করে তছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করে
বিভিন্ন প্রকারের ভাইরাস –
১। বুট ভাইরাস
২। ফাইল বা প্রোগ্রাম ভাইরাস
৩। ফ্যাট ভাইরাস(FAT Virus)
৪। রেসিডেন্ট ভাইরাস(Resident Virus)
৫। মাইক্র ভাইরাস (Micro Virus) ইত্যাদি ।
কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্তর লক্ষন
কম্পিউটারের গতি কমে যায় ।
কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায় ।
চালুহতে বেশি সময় লাগে ।
কম্পিউটারের ভিতরের ফাইল এমনিতে ডিলিট হয়ে যায় ।
হঠাৎ করে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়ে যায় ।
স্ক্রিনে কিছুক্ষন পরপর বিভিন্ন মেসেজ দেখায় ।
কম্পিউটার চালুহয়েই বন্ধ হয়ে যায় । ইত্যাদি ।
কম্পিউটার ভাইরাস থেকে কম্পিউটারকে কিভাবে সুরক্ষিত করবে ?
প্রয়োজন ছাড়া বাইরের ডিস্ক ব্যবহার না করা ।
সতর্কভাবে ইন্টারনেট ব্যাবহার করা ।
অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা ।
সবসময় ডেটার ব্যাকআপ রাখা ।
ফ্রী সফটওয়্যার বেশি ব্যাবহার না করা ।
কম্পিউটারকে অপরিচিত ব্যাক্তিকে ব্যাবহার করতে না দেওয়া । ইত্যাদি ।
ফয়ারওয়াল (Firewall) কী ?
ফয়ারওয়াল হল একটি বিশেষ সফটওয়্যার বা হার্ডওয়ার ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যাবস্থা । এই ব্যবস্থায় নেটওয়ার্ক থেকে আগত ডেটা প্যাকেটগুলি কে বিশ্লেষন করে কম্পিউটারে প্রবেশের অনুমতি দেয় । বেশিরভাগ অপরেটিং সিস্টেমে ফায়ারওয়াল সফটওয়্যার থাকে যার সাহায্যে প্রাথমিকভাবে নেটওয়ার্কের বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা পায় ।
অথাবা
এক সেট নিয়মনীতি মাধ্যমে কম্পিউটারের ইনকামিং ও আউটগোয়িং ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রন ও প্রয়োজনে তা ফিল্টার করা যায় তাকে ফায়ারওয়্যাল বলে ।
ফয়ারওয়াল (Firewall) কী ভাবে কাজ করে ?
এটি কম্পিউটার সিস্টেমে ডেটা ট্রাফিকের কাজ করে।
সন্দেহজনক ফাইল কে প্রবেশে বাধা প্রদান করে ।
অননুমোদিত(Unauthorized) ব্যাহারকারীদের নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস করতে দেয় না ।